Uncategorized

জোড়া সেঞ্চুরিতে ৩৩৫ রানের টার্গেট দিল বাংলাদেশ

রবিবার মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান। এশিয়া কাপে সুপার ফোরের আশা বাঁচিয়ে রাখতে হলে আফগানদের বিপক্ষে জয় ছাড়া কোনো পথ খোলা নেই। এমন সমীকরণের ম্যাচে মেহেদি হাসান মিরাজ ও নাজমুল হোসেন শান্তর সেঞ্চুরিতে ভর করে বড় সংগ্রহ পেয়েছে সাকিব বাহিনী। আফগান বোলারদের পাত্তাই না দিয়ে ৫০ ওভারে শেষে ৫ উইকেটে ৩৩৪ রানের সংগ্রহ করল বাংলাদেশ। রোববার (৩ সেপ্টেম্বর) পাকিস্তান লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচেও টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ।

একপ্রান্তে মেহেদী হাসান মিরাজ, অন্য প্রান্তে নাজমুল হোসেন শান্ত। দুজনের ব্যাট পাখা মেললো লাহোরের মাঠে। চরম হতাশার মুখে থাকা দলকে টেনে তুললেন দুজন। দুজনেই পেলেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ওয়ানডে সেঞ্চুরির দেখা। তাতে ভর করে এশিয়া কাপে বাঁচামরার ম্যাচে আফগানিস্তানকে ৩৩৫ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ।  

ইনিংসের শুরুতেই দুজনে খেলেন আগ্রাসী ইনিংস। দলীয় ৫ ওভারেই স্কোরবোর্ডে তোলেন ৩৩ রান। ওপেনিং জুটি গিয়ে থামে দলীয় ৬০ রানে। নাঈমকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন মুজিবুর রহমান। দশম ওভারে মুজিবের গুগলিতে লাইন মিস করে ফেলেন নাঈম। বল গিয়ে আঘাত হানে স্টাম্পে। ৩২ বলে ২৮ রান করে ফেরেন নাঈম। যা তাঁর ৬ ম্যাচের ওয়ানডে ক্যারিয়ারের সেরা।

নাঈম ফেরার পর ওয়ানডাউনে নামানো হয় তাওহিদ হৃদয়কে। গত ম্যাচে ফ্লপ হওয়া হৃদয় আজও হলেন ব্যর্থ। ১১তম ওভারে গুলবদিন নাঈবের বলে প্রথম স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন হৃদয় (০)। তাঁকে ফেরানো ক্যাচটি ছিল দুর্দান্ত। অনেকটা ঝাঁপিয়ে পড়ে ক্যাচটি নিয়েছেন হাশমতউল্লাহ শহীদি।

দলীয় ৬২ রানে দুই উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় বাংলাদেশ। সেখান থেকে দলকে উদ্ধার করে মিরাজ ও শান্তর জুটি। ওপেনিংয়ে নামা মিরাজ হয়ে ওঠেন ভরসার ঢাল। শুরু থেকে নির্ভার থেকে ৬৫ বলে স্পর্শ করেন হাফসেঞ্চুরি। এরপর শান্তকে নিয়ে ছুটতে থাকেন মিরাজ। দুজনেই তুলে নেন সেঞ্চুরি।

প্রথমে শতকের দেখা পান মিরাজ। এরপর শান্ত। ৪০.৪ ওভারে নাইবের বলে সিঙ্গেল নিয়ে তিন অঙ্কের ঘরে যান মিরাজ। এরপর ৪২.৪তম ওভারে ১০১ বলে সিঙ্গেল নিয়ে সেঞ্চুরি স্পর্শ করেন শান্ত। শতক ছোঁয়ার পর বেশিদূর গেল না তাদের ইনিংস। ১১২ রানে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন মিরাজ। ১১৯ বলে ৭ বাউন্ডারি ও তিন ছক্কায় সাজান নিজের ইনিংস। অন্যদিকে ১০৫ বলে ১০৪ রানে রান আউটে কাটা পড়েন শান্ত। তিনি ইনিংস সাজান ৯ বাউন্ডারি ও দুটি ছক্কায়।

সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ : ৫০ ওভারে ৩৩৪/৫ (নাঈম ২৮, মিরাজ ১১২*, তাওহিদ ০, শান্ত ১০৪, মুশফিক ২৫, সাকিব ৩২*, শামিম ১১, আফিফ ৪*; ফারুকি ৬-১-৫৩-০, মুজিব ১০-০-৬২-১, নাইব ৮-০-৫৮-১, করিম ৬-০-৩৯-০,নবি ১০-০-৫০-০, রশিদ ১০-১-৬৬-০)।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button